রবিবার, ২১ Jun ২০২৬, ০৫:১০ অপরাহ্ন
শনিবার (৩ জুন) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪২তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে তার জীবনভিত্তিক বই মেলা ও চিত্র প্রদর্শনী অনুষ্ঠানের দলটি।
তিনি বলেন, জিয়াউর রহমান সত্যিই দেশের অগ্রদূত হয়ে জন্ম নিয়েছিলেন। যখনি ক্রান্তিকাল দেখা দিয়েছে। তখনই তিনি মানুষের হয়ে বেরিয়ে এসেছেন। জাতি যখন দিক হারিয়ে ফেলেছিলেন। তখনই তিনি মানুষের জন্য অগ্রনায়ক হয়ে এসেছেন। সেটা হলো ৭৫ পরবর্তী সময়। যখন দেশের মধ্যে অরাজকতা চলছিল। সেদিন এই অখ্যাত মানুষটির কণ্ঠেই ভেসে আসে, আমি মেজর জিয়া বলছি। দায়িত্ব নিয়ে তিনি দেশের মানুষকে নিয়ে কাজে নেমে পড়েছিলেন।
নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে মহাসচিব বলেন, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের জন্য আমাদের এই আন্দোলন চূড়ান্তের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। এর মধ্যে আমাদের ১৭ জন নেতাকর্মী শহীদ হয়েছেন। ঐক্যবদ্ধ হয়ে আন্দোলনে চালিয়ে যেতে হবে।
তিনি বলেন, আজ বিশ্বের কাছে এই সরকারের ভোট চুরির কর্ম প্রমাণিত হয়েছে। আজ তারাও এদেরকে বিশ্বাস করতে চাচ্ছে না। বিশ্ব জানে এই সরকারের অধীনে কখনো সুষ্ঠু নির্বাচন হবে না। এটা আশা করা যায় না। তাই এদেরকে পতন করিয়ে আমাদের যে গণতান্ত্রিক ব্যাবস্থা প্রতিষ্ঠিত করা যে চূড়ান্ত লক্ষ্য তা বাস্তবায়ন করতে হবে।
অনুষ্ঠানে ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপি আহ্বায়ক আমান উল্লাহ আমানের সভাপতিত্বে ও বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক এমরান সালেহ প্রিন্সের সঞ্চালনায় উপস্থিত ছিলেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ আল নোমান, মোহাম্মদ শাহজাহান ওমর বীর উত্তম, প্রফেসর ড তাজমেরী এস এ ইসলাম সহ বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।
বক্তব্য রাখার পূর্বে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সহ দলটির নেতৃবৃন্দ শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের জীবনী চিত্র প্রদর্শন করেন।